আন্তর্জাতিক ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের জেতাতে বিপুল অর্থ ব্যয় করেও প্রত্যাশিত ফল পাননি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ও টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। নির্বাচনী অর্থায়ন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ওপেন সিক্রেটসের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পক্ষে প্রায় ৪৫৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেন তিনি।
বিশেষ করে টেক্সাসের আলোচিত সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী কেন প্যাক্সটনের প্রচারণায় ২০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ ব্যয় করেছিলেন মাস্ক। তবে নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস ট্যালারিকোর কাছে পরাজিত হন প্যাক্সটন। সম্প্রতি মাস্ক তাঁর বাসস্থান ও ব্যবসায়িক স্বার্থ টেক্সাসে স্থানান্তর করেছিলেন।
বিজয়ের পর দেওয়া ভাষণে জেমস ট্যালারিকো ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, “আমরা এই রাজ্য ও দেশের প্রতিটি বিলিয়নিয়ার, ট্রিলিয়নিয়ার এবং এই দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক ব্যবস্থার রক্ষকদের পরিষ্কার বার্তা দিয়েছি—ক্ষমতা কেবল জনগণের।”
নির্বাচনে রিপাবলিকানদের জয় নিশ্চিত করতে মাস্কের বিপুল অর্থায়ন শেষ পর্যন্ত প্রত্যাশিত ফল বয়ে আনেনি। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর কিছুদিন নীরব থাকার পর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট দেন তিনি।
পোস্টে মাস্ক লেখেন, “মনে হচ্ছে নির্বাচনে হস্তক্ষেপকারী আমার স্পেশ লেজারগুলো এবার আর কাজ করেনি।”
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল মার্কিন রাজনীতিতে মাস্কের প্রভাব এবং ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে নির্বাচনী ফল প্রভাবিত করার কৌশলের সীমাবদ্ধতা সামনে এনেছে।